ওপেন নিউজ
  • | |
  • cnbangladesh.com
    opennews.com.bd
    opennews.com.bd
    opennews.com.bd
    opennews.com.bd
opennews.com.bd

সাক্ষাৎকার

জামায়াতকে নিয়ে কী করবে বিএনপি?


Date : 05-27-17
Time : 1495911720

opennews.com.bd

ওপেননিউজ  # লেখক : কাজী সিরাজ ,সাংবাদিক, কলামিস্ট। গেল রবিবার বাংলাদেশ প্রতিদিনে নিয়মিত লেখাটি ঢাকায় না থাকার কারণে দিতে পারিনি বলে প্রকাশিত হয়নি। ভেবেছিলাম গ্রামের বাড়ি থেকে লিখে পাঠাব। এর আগে দু-একবার স্ক্যানিং করে পাঠিয়েছি। কিন্তু শুক্রবার সন্ধ্যায় সেই যে বিদ্যুৎ গেল আর দেখা নেই কয়েক ঘণ্টা। এলো একেবারে ভোরে। এত নাকি বিদ্যুৎ উৎপাদিত হচ্ছে, তো সে বিদ্যুৎ গেল কোথায়? বর্তমান সরকারের আমলে বিদ্যুৎ উৎপাদনের যে বিশাল ফিরিস্তি দেওয়া হয়েছে, তাতে বোঝা গেল চাহিদার তুলনায় বিদ্যুৎ উৎপাদন বেশিই হচ্ছে। যদি তাই হবে, জ্যৈষ্ঠের দুঃসহ গরমে ব্যাপক লোডশেডিংয়ে গোটা দেশ হাঁসফাঁস করবে কেন? খবর নিয়ে জানলাম শুধু আমাদের গ্রামেই নয়, আশপাশের সব গ্রামেই একই অবস্থা। বাস্তবতা হচ্ছে দেশের গ্রামাঞ্চলে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ৫-৬ ঘণ্টাও বিদ্যুৎ মিলছে না। মিডিয়ায় খবর বেরিয়েছে বিক্ষুব্ধ জনতা স্থানীয় বিভিন্ন বিদ্যুৎ অফিসে হামলা করছে। পল্লী এলাকায় আসলে বিদ্যুৎ সরবরাহই কম। পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ড (আরইবি) বিদ্যুৎ সরবরাহ বাড়ানোর জন্য বিদ্যুৎ মন্ত্রণালয়ের সচিবকে চিঠি দিয়েছে বলে জানা গেছে। রবিবার দুপুরে ঢাকায় ফিরে দেখি এখানেও একই অবস্থা। রাজধানীতেও লোডশেডিং বেড়ে গেছে। পিডিবি সূত্রে জানা গেছে, সাম্প্রতিক ঝড়ে ভৈরবে বিদ্যুতের টাওয়ার ভেঙে পড়ায় দেশের দক্ষিণ-পশ্চিম ও উত্তরাঞ্চলের মধ্যে বিদ্যুৎ সরবরাহে সমস্যা হচ্ছে। সংরক্ষণ, মেরামতসহ আরও নানা কারণে কয়েকটি বিদ্যুৎকেন্দ্র বন্ধ রয়েছে। এসব কারণে নাকি চাহিদা, উৎপাদন ও সরবরাহের মধ্যে ভারসাম্যহীনতার সৃষ্টি হয়েছে। সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে আরও ভয়ের কথা। তারা বলেছেন, বড় বিদ্যুৎ প্রকল্পগুলো বাস্তবায়ন করতে না পারা এবং বিদ্যুৎ সরবরাহ লাইনে ঘাটতি থাকায় এ মুহূর্তে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ দেওয়া যাবে না। এটা হতে হতে আরও তিন-চার বছর লেগে যাবে। বাংলাদেশে এখন বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষমতা ১৫ হাজার মেগাওয়াটের বেশি। উৎপাদন কিন্তু তত হয় না। পিডিবির প্রতিবেদন অনুযায়ী ২০ মে সর্বোচ্চ উৎপাদন ছিল ৮ হাজার ২৪৪ মেগাওয়াট। বিদ্যুৎ যা উৎপাদিত হচ্ছে  সরকার তার যথাযথ ব্যবস্থাপনাও করতে পারছে না। সরকারপক্ষীয় একজন ‘দলদাস’ বুদ্ধিজীবীর সঙ্গে বিদ্যুৎ পরিস্থিতি নিয়ে আলাপকালে তিনি বললেন, ‘গ্রামে বিদ্যুৎ গেছে ক’বছর হবে? যখন বিদ্যুৎ ছিল না তখন মানুষ থেকেছে কীভাবে? তখন কুপি, হ্যারিকেন আর হাত পাখায় চলেনি? শুনে থ মেরে গেলাম। বললাম, ‘ভোটের সময় এমন বইলেন, একেবারে বস্তাভরে ভোট দেবে নৌকায়। ’ এর বাইরে আর কোনো জবাব ছিল না আমার। দুঃখিত, গেল সপ্তায় লিখতে না পারার কৈফিয়ত দিতে গিয়ে প্রাসঙ্গিকভাবে কিছু জরুরি কথা বলতে গিয়ে বিষয়টা একটু বড়ই হয়ে গেল। বিষয়টা জনস্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিধায় পাঠকরা ক্ষমা করবেন আশা করি।

দেশের সর্বত্র এখন নির্বাচন নিয়েই আলোচনা। আলোচনা ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ এবং তাদের প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপিকে ঘিরে। সরকারের মন্ত্রী, মিনিস্টার এবং লীগ নেতারা ইদানীং সুর কিছুটা নরম করেছেন। এতদিন তো তারা এবং তাদের ‘দলদাস’ বুদ্ধিজীবীরা মিডিয়া ফাটিয়েছেন এই বলে যে, বিএনপি নামক দলটি অস্তিত্ব সংকটে আছে। শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বী বলে হিসেবেই রাখেনি। কেউ কেউ এমন ‘করুণাবাক্যও’ উচ্চারণ করেছেন যে, বিএনপি বিরোধী দল হিসেবেও যদি একটা ভূমিকা রাখতে পারত দেশের ও গণতন্ত্রের উপকার হতো। আহ্, সেটাও তারা পারছে না। কিন্তু নারায়ণগঞ্জ সিটি নির্বাচন ও কুমিল্লা সিটি নির্বাচন তাদের মধ্যে নতুন বোধোদয় ঘটিয়েছে বলে মনে হয়। লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরই প্রথম বললেন, এবার শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে, বিএনপিকে ‘খাটো’ করে দেখা যাবে না। নারায়ণগঞ্জে একমাত্র দলীয় মার্কার জোরে (কোনো কোনো নেতার অসহযোগিতা সত্ত্বেও) অস্থানীয় একেবারে নতুন একজন প্রার্থীর ১ লাখ ভোট প্রাপ্তি এবং কুমিল্লা সিটিতে বিজয় বিএনপির সর্বস্তরের নেতা-কর্মীর মনোবল অনেক চাঙ্গা করেছে বলে মনে হয়। আওয়ামী লীগকে মনে হচ্ছে কিছুটা নিষ্প্রভ আর বিএনপিকে মনে হচ্ছে অনেকটা উদ্দীপ্ত। সরকার ও সরকারি দল বিএনপিকে হত্যা, সন্ত্রাস ও নৈরাজ্য সৃষ্টিকারী দল হিসেবে নেতিবাচক একটি ভাবমূর্তি তুলে ধরে জনগণ থেকে বিচ্ছিন্ন করার যে রাজনৈতিক কৌশল অনুসরণ করে আসছে তা এখন আর ফলপ্রসূ কিছু হচ্ছে বলে মনে হচ্ছে না।

বিএনপি ‘সাধু সন্যাসীর’ দল নয়। দুর্নীতি, লুণ্ঠন, সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড, নৈরাজ্য সৃষ্টি ইত্যাদিতে তারা যুক্ত ছিল না তা পাগলও বলবে না। কিন্তু বর্তমান ক্ষমতাসীনদের তৃণমূল পর্যন্ত নানা অপকর্মের যে দৃশ্য এখন মানুষ চাক্ষুষ দেখছে, তাতে তাদের মুখে বিএনপির অপকর্মের কাহিনী মানুষ শুনতে বিরক্ত বোধ করছে। আগামী একাদশ সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণের সিদ্ধান্ত বিএনপিকে রাজনৈতিকভাবে বেশ খানিকটা এগিয়ে দিয়েছে। মানুষ এখন বিএনপি আমল আর লীগ আমলের দুর্নীতি, স্বজনপ্রীতি, ব্যাংক লুট, বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ লুট, হত্যা, গুম, ধর্ষণ, চাঁদাবাজি, দখলবাজি, টেন্ডারবাজিসহ সব ধরনের বাজিকরির তুলনামূলক বিচার করতে শুরু করেছে। সরকারি দলের নির্মোহ সমর্থক-বিশ্লেষকরা ইতিমধ্যে আভাসে-ইঙ্গিতে বলতে চাইছেন যে, পয়েন্টে এগিয়ে যাচ্ছে বিএনপি। শত প্রতিবন্ধকতার মুখেও বিএনপি যদি নির্বাচনী সড়কে ‘দাঁত কামড়ে’ পড়ে থাকে তারা লাভবান হবে বলে মনে করেন পর্যবেক্ষকরা। বিএনপি প্রকৃত অর্থেই একটি পেটি বুর্জোয়া রাজনৈতিক দল। এ দল নির্বাচনমুখী হতে বাধ্য। ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারির নির্বাচন বর্জন করে বিএনপি ভুল করে এখন পস্তাচ্ছে। এখন তারা তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দাবি ছেড়ে ‘সহায়ক’ সরকারের কথা বলছেন। ২০১৪ সালের নির্বাচনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ‘সর্বদলীয়’ সরকারের যে প্রস্তাব দিয়েছিলেন তাই তো ‘সহায়ক সরকার’ হতে পারত। এখনো সহায়ক সরকার তো হয় সবাইকে নিয়ে অথবা সবার পছন্দের তেমন একটি সরকারই হবে। আইনগত জটিলতা থাকলে বিচারপতি সাহাবুদ্দীন আহমদের সময়ে পঞ্চম সংসদ নির্বাচনকালে গৃহীত ব্যবস্থার মতো একটি ব্যবস্থা প্রধান প্রধান রাজনৈতিক দলের সম্মতিতে নেওয়া যেতে পারে, যা পরবর্তী সংসদের প্রথম অধিবেশনে অনুমোদন করে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেবেন সবাই এবং নির্বাচনের পর সে প্রতিশ্রুতি রক্ষা করবেন। আর প্রধানমন্ত্রী স্বয়ং যেখানে একটি ‘প্রশ্নবিদ্ধহীন’ গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের ব্যাপারে বারবার তার আগ্রহ ব্যক্ত করছেন তা বাস্তবায়ন করতে হলে বিএনপিকে তো নির্বাচনে আনতেই হবে। এ ব্যাপারে আন্তর্জাতিক মহলের আগ্রহের বিষয়টিও স্পষ্ট। কাজেই আশা করা যায়, আগামী একদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অংশগ্রহণমূলক ও গ্রহণযোগ্য হবে। বিএনপি ২০১৫ সালের জানুয়ারি-মার্চ অবরোধ আন্দোলনের নামে বেশ দুর্নাম কামিয়েছে। ওই তিন মাসের সব অগ্নিসংযোগ, পেট্রলবোমা নিক্ষেপ, হত্যা, বৃক্ষ নিধন, নৈরাজ্য সৃষ্টির জন্য বিএনপিই দায়ী এখনো আদালতে দায়ের করা মামলাসমূহ থেকে তা প্রমাণিত না হলেও সরকার দক্ষতার সঙ্গে সব দায় বিএনপি-জামায়াতের ওপর চাপাতে পেরেছে। তাতে বিএনপির নির্বাচনবিরোধী একটি নেতিবাচক ভাবমূর্তি গড়ে উঠেছিল। বিভিন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচনে অংশগ্রহণ এবং সর্বশেষ ভিশন-২০৩০ ঘোষণার মাধ্যমে তারা সেই নেতিবাচক ভাবমূর্তি অনেকটাই কাটাতে পেরেছে বলে মনে হয়। সর্বত্র নেতা-কর্মীদের মধ্যে একটা আশাবাদ জেগেছে এবং প্রায় সবাই সক্রিয় হচ্ছে। জনগণের মধ্যেও এর প্রভাব পড়েছে। অনেকদিন পরপর গ্রামে যাই। আশপাশের অনেকেই দেখা করতে আসেন। এবারও ব্যতিক্রম ঘটেনি। মহিলারা এখন বেশ সচেতন। কয়েকজন বললেন, ‘গতবার তো পাবলিকের ভোট লয় নাই, এবার নাকি লইব। এবার কিন্তু ভোট দিতে যামু এবং ঠিক জায়গায় সিল মারুম। ’ ‘ঠিক জায়গায় সিল মারুম’ বলতে মানুষ তাদের কোন আকাঙ্ক্ষা ব্যক্ত করছেন শাসক লীগের নেতারা কি তা অনুধাবন করছেন?

আমাদের দেশের বর্তমান রাজনীতি সম্পূর্ণই ক্ষমতাকেন্দ্রিক। যে কোনো উপায়ে ক্ষমতায় থাকা অথবা যে কোনো উপায়ে ক্ষমতায় যাওয়া। সরকারের অদল-বদল হয়, কিন্তু দেশের বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষের ভাগ্যের কোনো পরিবর্তন হয় না। বর্তমান সরকারের আমলে দৃশ্যমান কিছু উন্নয়ন হয়েছে। কিন্তু সাধারণ মানুষের তাতে লাভালাভের পরিমাণটা কত? বলা হয়, এমন উন্নয়নে যারা সরকারে এবং সরকারের সংশ্লিষ্টতায় থাকেন, উন্নয়ন কাজের ঠিকাদারি পান বা এসব কাজের সঙ্গে জড়িত থাকেন তারাই বেশি লাভবান হন। জনগণের লাভের হিসাবটা দিতে হবে সরকারকে। তবে এই সরকার মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় কিছু উল্লেখযোগ্য কাজ করেছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইবু্যুনাল গঠন ও একাত্তরের মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচার নিশ্চিত করে। তরুণ প্রজন্মের কাছে এটা একটা নন্দিত বিষয়। বিএনপি ক্ষমতায় গেলে এ ইস্যুতে কী করতে চায় ভিশন-২০৩০-তে কিন্তু তা স্পষ্ট করা হয়নি। বুধবারের (২৪ মে) যুগান্তরে একটি খবর বেরিয়েছে যে, বিএনপি নতুন ধারার রাজনীতি করবে। ক্ষমতায় গেলে জামায়াতকে তারা সরকারে রাখবে না। কিন্তু খবরে এমন কোনো ইঙ্গিত দেওয়া হয়নি যে, নির্বাচনে জামায়াতের সঙ্গে আসন ভাগাভাগি হবে কিনা, ২০-দলীয় জোট অটুট থাকবে কিনা। কিছুদিন আগে দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর জামায়াতের সঙ্গে ভোটের জোটের পক্ষে কথা বলেছেন। জামায়াত ভোটের জোটে থেকে নির্বাচনে জয়ী হওয়ার পর মন্ত্রিসভায় থাকল কি থাকল না তাতে কী আসে যায়! নতুন প্রজন্মের ভোটারদের আকৃষ্ট করার কথা বলা হয়েছে ভিশন-২০৩০-তে। এই প্রজন্মের কাছে ’৭১ এর মুক্তিযুদ্ধ তো একটি আবেগতাড়িত ইস্যু। বিএনপিকে এ ব্যাপারে স্পষ্ট হতে হবে। বিএনপির সব সম্ভাবনা বিনাশে এ ইস্যুই আওয়ামী লীগের হাতে ‘তুরুপের তাস’ হতে পারে। আওয়ামী লীগকেও পরিষ্কার করতে হবে যে, মুক্তিযুদ্ধের চেতনার পক্ষে তাদের গৃহীত পদক্ষেপসমূহ আগামীতে ক্ষমতায় গেলে অব্যাহত থাকবে কিনা? হেফাজতে ইসলামের সঙ্গে সম্পর্কের বিষয়টি আগামী নির্বাচনে তাদের জন্য কাল হতে পারে। মানুষ বলবে তারা হেফাজতের সঙ্গে গাঁটছড়া বাঁধাতে পারলে বিএনপি জামায়াতকে সঙ্গে রাখলে আওয়ামী লীগের বলার কী আছে? বাইরে এমনিতেই আলোচনা হচ্ছে আগামী নির্বাচনে ভোটের হিসাব ক্ষমতাসীনদের জন্য কঠিন হয়ে যেতে পারে। বিএনপিকে বোধহয় ভিতরে ভিতরে ভয় পাচ্ছে আওয়ামী লীগ। বিএনপির ‘ধর্মীয় রাজনৈতিক ব্লকের’ ভোটে ভাগ বসানোর জন্যই হেফাজতের আশ্রয় নিয়েছে আওয়ামী লীগ— এমন ধারণা ক্ষমতাসীনরা খণ্ডন করবে কীভাবে? সুপ্রিম কোর্ট থেকে ন্যায়বিচারের প্রতীক ভাস্কর্যটি ২৬ মে রাতের বেলায় অপসারণের পর হেফাজতে ইসলামের সন্তোষ প্রকাশ ও প্রধানমন্ত্রীকে অভিনন্দন জানানোর ঘটনা প্রশ্নটি আরও জটিল করে দিয়েছে। অনেকেই একে সরকার-হেফাজতে সম্পর্কের নতুন মাত্রা হিসেবে চিহ্নিত করছেন। এ ব্যাপারে সরকার একটি সুবিধাজনক অবস্থানে আছে এই কারণে যে, বিএনপি এ ব্যাপারে সরকারকে কোনো ধরনের দোষারোপ করছে না। তারাও বলছেন এটা সুপ্রিম কোর্টের এখতিয়ারাধীন বিষয়। দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ তাত্ক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় এমনটাই বলেছেন। তবে ভাস্কর্য অপসারণের ব্যাপারে দলীয় কোনো মতামত দিচ্ছে না তারা। তাদের মৌনতা কি সম্মতির লক্ষণ?


 




সাক্ষাৎকার
























সম্পাদক মণ্ডলীর সভাপতিঃ এনামুল হক শাহিন
প্রধান সম্পাদকঃ সিমা ঘোষ
সম্পাদকঃ নরেশ চন্দ্র ঘোষ

ঠিকানাঃ
২৩/৩ (৪ তালা), তোপখানা রোড, ঢাকা-১০০০
ফোনঃ ০২৯৫৬৭২৪৫, ০১৯৭৭৭৬৮৮১১
বার্তা কক্ষঃ ফাক্সঃ ০২৯৫৬৭২৪৫, ০১৬৭৬২০১০৩০
অফিসঃ ০১৭৯৮৭৫৩৭৪৪,
Email: editoropennews@gmail.com



ভারপ্রাপ্ত সম্পাদকঃ নুরে খোদা মঞ্জু
ব্যাবস্থাপনা সম্পাদকঃ গাউসুল আজম বিপু
বার্তা সম্পাদকঃ জসীম মেহেদী
আইটি সম্পাদকঃ সাইয়িদুজ্জামান