ওপেন নিউজ
  • | |
  • cnbangladesh.com
    opennews.com.bd
    opennews.com.bd
    opennews.com.bd
    opennews.com.bd
opennews.com.bd

বিচিত্র সংবাদ

চীন-ভারত পানিযুদ্ধের ক্ষতির শিকার বাংলাদেশও


Date : 11-18-17
Time : 1511008965

opennews.com.bd

ওপেননিউজ  # জওহরলাল নেহরু ‘হিন্দি-চীনি ভাই ভাই’ বললেও চীন-ভারত বিবাদ বিস্তর এবং সেই তালিকা ক্রমে দীর্ঘ হচ্ছে। বিশ্বের জনসংখ্যার ৩৭ শতাংশ মানুষ আছে এই দুই দেশে। ফলে, চীন-ভারত উত্তেজনায় উদ্বিগ্ন সমগ্র দুনিয়া; বিশেষত দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার মানুষ।
অরুণাচল, লাদাখ ও সিকিম-সন্নিহিত এলাকায় তিনটি স্থানে ভূখণ্ডগত প্রবল বিরোধ আছে এই দুই দেশে। আছে বেলুচিস্তানে চীনের অর্থনৈতিক করিডর নিয়ে ভারতের আপত্তি। ৪৮ সদস্যের এলিট ‘নিউক্লিয়ার সাপ্লাইয়ার্স গ্রুপ’-এর সদস্য হতে চায় ভারত। সেটা নিয়ে বাধা আছে চীনের তরফ থেকে। পাশাপাশি বেইজিং পাকিস্তানি নাগরিক মাসুদ আজহারকে নিয়ে জাতিসংঘে ভারতের বিপক্ষে অবস্থান নিয়েছে; যেভাবে চীনের আপত্তি সত্ত্বেও দালাই লামাকে মদদ দিচ্ছে ভারত। আশপাশের অনেক দেশের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতেও বেইজিং ও নয়াদিল্লির দ্বন্দ্ব এখন অনেকখানি খোলামেলা। বিবাদিত বিষয়ের তালিকায় সচরাচর সীমান্তবিরোধই আন্তর্জাতিক প্রচারমাধ্যমের মনযোগ পায় বেশি। কিন্তু ইদানীং গ্লামারাস ওই বিবাদের আড়াল থেকে উঠে আসছে চীন-ভারত উত্তেজনার নতুন উপাদান—পানিযুদ্ধ।
এটা সত্য যে আধুনিক কালে পানি নিয়ে যুদ্ধের দৃষ্টান্ত বিরল; বরং বিশ্বে এ মুহূর্তে অন্তত তিন হাজারের বেশি চুক্তি কার্যকর রয়েছে পানি নিয়ে, যা এ ক্ষেত্রে সংলাপের সফলতাই নির্দেশ করছে। কিন্তু পানি যে ক্রমে দক্ষিণ এশিয়ায় ভূরাজনীতির অংশ হয়ে উঠছে, সেটা অস্বীকার করার উপায় নেই। বিশেষত, যখন দেখা গেল, ভারত এ বছরের মাঝামাঝি পাকিস্তানের সঙ্গে ‘সিন্ধু পানিচুক্তি’ থেকে সরে আসার হুমকি দেওয়ামাত্রই ব্রহ্মপুত্রের পানিপ্রবাহ নিয়ে ভারত-চীন উত্তেজনা শুরু হলো। বিষয়টি এ কারণেও বিশেষ উদ্বেগের যে সীমান্ত যুদ্ধের উন্মাদনার মধ্যেও উভয় দেশ তাদের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির ধারা চালু রাখতে সক্ষম হলেও পানি-বিবাদের সময় তা নাও হতে পারে। কারণ, পানির অভাব সরাসরি প্রভাব ফেলবে অর্থনীতিতে। বিশেষত, যখন চীন-ভারত উভয় দেশেই বিশুদ্ধ পানির প্রাপ্যতা ক্রমে কমছে।
দুই.
চীন-নিয়ন্ত্রিত তিব্বত থেকে ভারতে প্রবেশ করেছে—এমন দুটি প্রধান নদী হলো শতদ্রু (চীনা নাম সুতলেজ) ও ব্রহ্মপুত্র। শতদ্রু গিয়েছে হিমাচল প্রদেশ ও পাঞ্জাবের দিকে। আর ব্রহ্মপুত্র এসেছে অরুণাচল-আসাম হয়ে বাংলাদেশের দিকে।
ব্রহ্মপুত্র এশিয়ার এক বড় নদী। তিব্বত থেকে ২ হাজার ৮৮০ কিলোমিটার পথ পাড়ি দিয়ে ভারত-বাংলাদেশ হয়ে যার প্রবাহ মিশেছে বঙ্গোপসাগরে। দীর্ঘ এই নদী তার সেবা দিয়ে যাচ্ছে প্রায় সাড়ে পাঁচ লাখ বর্গকিলোমিটার পরিসরজুড়ে।
কিন্তু ভারত বলছে, এ বছর ব্রহ্মপুত্রের প্রবাহ বিষয়ে চীন সময়মতো তথ্য না দেওয়ায় তাদের উত্তর-পূর্ব অঞ্চলের চারটি প্রদেশে তিন কোটি মানুষ অনেক ক্ষতির শিকার হয়েছে। অন্তত ৬০০ জন মারাও গেছে। এসব অভিযোগের সঙ্গে দিল্লি এই উদ্বেগও যুক্ত করেছে, চীন ব্রহ্মপুত্রের পানিপ্রবাহ নিয়ন্ত্রণ করছে বলে তার অনুমান। বিশেষ করে এ বছর আসামে স্বল্প সময়ের ব্যবধানে নদীটির প্রবাহের অবিশ্বাস্য হ্রাস-বৃদ্ধি প্রমাণ করে, যান্ত্রিক উপায়ে প্রবাহ নিয়ন্ত্রিত হচ্ছে। ভারতের দাবি, ব্রহ্মপুত্রের প্রবাহ সম্পর্কে বৈজ্ঞানিক তথ্য আদান-প্রদান করতে চীনের সঙ্গে চুক্তি রয়েছে তার। চীন কর্তৃক প্রয়োজনীয় তথ্য না দেওয়া তাই বড় অন্যায়।
ভারতীয় দাবিতে সত্যতা আছে। ২০০৬ সালে ব্রহ্মপুত্রের প্রবাহসম্পর্কিত তথ্যবিনিময়ের একটি চুক্তি হয় দুই দেশের মধ্যে। ২০১৩ ও ২০১৬ সালে প্রবাহ তথ্য বিষয়ে উপরিউক্ত ধাঁচের আরও ‘মেমোরেন্ডাম অব আন্ডারস্ট্যান্ডিং’ স্বাক্ষর হয় শতদ্রু নদীকে অন্তর্ভুক্ত করে। এসব চুক্তি ও সমঝোতার মূল বিষয় হলো প্রতিবছর ১৫ মে থেকে ১৫ অক্টোবর সময়ে ভারতকে ব্রহ্মপুত্রের পানি প্রবাহের উত্থান-পতন সম্পর্কিত তথ্য দেবে চীন, বিনিময়ে অর্থও নেবে। কিন্তু ভারত অর্থ দিয়েও তথ্য পায়নি।
সদ্য বিদায়ী বর্ষায় উত্তর-পূর্ব ভারতে ব্রহ্মপুত্রের পানিপ্রবাহের অবিশ্বাস্য বাড়া-কমায় ভারত এখন দাবি তুলেছে, তাদের মে থেকে অক্টোবর সময়ের বাইরেও ব্রহ্মপুত্রের প্রবাহসম্পর্কিত তথ্য দরকার। তাদের সন্দেহ, চীন নদীটির প্রবাহে নতুন করে ড্যাম তৈরি করছে।
ভারতের অভিযোগের বিপরীতে চীন প্রথমে বলেছে, তারা কারিগরি সংকটের কারণে ভারতকে তথ্য দিতে পারছে না। চীনের উত্তর এই কারণে দুর্বল যে ভারত খুঁজে দেখেছে, ব্রহ্মপুত্রের প্রবাহ সম্পর্কে বাংলাদেশকে চীন নিয়মিত তথ্য দিয়ে যাচ্ছে! ভারতের ক্ষোভ বেড়েছে এতে। পরবর্তীকালে চীনের আধা সরকারি ‘গ্লোবাল টাইমস’ জানায় অন্য কথা। তারা বলে, মূলত দোকলাম সীমান্ত উত্তেজনার কারণে আর তথ্য দেওয়া হয়নি। তবে নিরপেক্ষ ভূরাজনীতিবিদদের মতে, চীন এই অবস্থান নিয়েছে প্রকৃতপক্ষে তাদের ‘বেল্ট অ্যান্ড রোড’ উদ্যোগ সম্পর্কে ভারতের পুনঃপুন নেতিবাচক অবস্থানের কারণে।
তিন.
আন্তর্জাতিক পানি বিশেষজ্ঞদের মতে, বিশ্বের যে ৪০০ কোটি মানুষ সামনের দিনগুলোতে পানির সম্ভাব্য সংকটের মুখে পড়তে যাচ্ছে, তার অর্ধেকই দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার। বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের মতোই এ ক্ষেত্রে উদ্বিগ্ন ভারত ও চীন। উভয় দেশেই পানির চাহিদা বাড়ছে। কিন্তু প্রাপ্যতা বাড়ছে না। ফলে মাথাপিছু ভোগ কমছে। এই দুই দেশের অনেক স্থানেই বিশুদ্ধ পানির দাম এখন দুধ বা ফলের রসের চেয়ে কম। মুম্বাইভিত্তিক ‘স্ট্র্যাটেজিক ফোরসাইট গ্রুপ’ বলছে, ২০৫০ সাল নাগাদ ভারতে অন্তত ৩০ শতাংশ এবং চীনে অন্তত ৫০ শতাংশ ধান উৎপাদন কমবে পানির অভাবে।
বলা বাহুল্য, খাদ্যের জোগানের সঙ্গে যুক্ত হয়ে আছে উভয় দেশের অভ্যন্তরীণ রাজনীতির স্থিতিশীলতার প্রশ্নও। ফলে আসন্ন দিনগুলোতে অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক কারণেই চীন ও ভারত আঞ্চলিক নদীগুলোর পানিপ্রবাহ বিষয়ে আপসহীন অবস্থান নিতে বাধ্য হবে, যা কার্যত কোনোরূপ গোলাবারুদ বিনিময় ছাড়াই যুদ্ধরূপী অবস্থা তৈরি করবে।
তিব্বত নিয়ে ভারত-চীনের ভূরাজনীতিরও প্রধান এক কারণ পানি। তিব্বত মালভূমি এশিয়ার জলস্তম্ভসুলভ। সিন্ধু, সুতলেজ, ব্রহ্মপুত্র, মেকংসহ প্রায় ১০টি নদীর জলসূত্র তিব্বত মালভূমি। দক্ষিণ এশিয়ার অন্তত ১১ দেশকে পানি জোগাচ্ছে হিমালয়সংলগ্ন এই অঞ্চল, যে পানি প্রকৃতিগতভাবে সীমান্তমুক্ত হওয়ার কথা, অথচ তার নিয়ন্ত্রণ এখন উজানের দেশ হিসেবে চীনের হাতে। এতত্সত্ত্বেও চীনে মাথাপিছু পানি প্রাপ্যতা উন্নয়নশীল অন্যান্য দেশের ৩ ভাগের ১ ভাগ। ২০৩০ সাল নাগাদ চীনে বার্ষিক বিশুদ্ধ পানির অভাব দাঁড়াবে প্রায় ২০০ বিলিয়ন কিউবিক মিটার (১ কিউবিক মিটার = ১০০০ লিটার)। এই অবস্থায় চীন যা শুরু করছে, তা হলো নিজ ভূখণ্ডের উত্তর-দক্ষিণে পানি স্থানান্তর। সেই পরিকল্পনায় রয়েছে তিব্বতের সবচেয়ে বড় ইয়ারলাং তাসাংপো নদীও। অরুণাচল আর আসাম হয়ে ভারতের অভ্যন্তরে এসে এটাই ব্রহ্মপুত্র নদী। আর বাংলাদেশে এসে সেটাই যমুনা।
ভারতের নদীর পানির হিস্যার ২৯ শতাংশ ব্রহ্মপুত্রের। দেশটির বর্তমান ও ভবিষ্যৎ জলবিদ্যুতের প্রধান এক উৎস বিবেচনা করা হয় একে। ফলে এই প্রবাহে চীনের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ দিল্লির জন্য মহা উদ্বেগের ব্যাপার। গত ২৯ অক্টোবর ‘সাউথ চায়না মর্নিং পোস্ট’ রিপোর্ট করেছে, চীন তিব্বত থেকে জিনজিয়াং পর্যন্ত পানি সরাতে এক হাজার কিলোমিটার দীর্ঘ (অবশ্যই বিশ্বে সবচেয়ে বড়!) টানেল তৈরি করবে। এর মধ্য দিয়ে চীন মরুময় জিনজিয়াংয়ের একাংশকে সবুজ করতে আগ্রহী। আবার ভুটান-ভারত সীমান্তের খুব কাছেই চীন তিব্বতে ব্রহ্মপুত্রের প্রবাহে জাংমু ড্যাম তৈরি করেছে প্রায় এক দশক আগে, কিন্তু তা স্বীকার করেছে কেবল ২০১০ সালে। উপরন্তু, ২০১৩ সালে তৈরি নতুন পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনায় তারা এরূপ আরও তিনটি ড্যাম তৈরির কথাও জানায়।
ভারতও বসে নেই। ব্রহ্মপুত্রের ভাটিতে তাদের প্রকল্পগুলোও বিশাল। আসাম ও অরুণাচলে যথাক্রমে শুভনশ্রী ও দিবাং প্রকল্পের মাধ্যমে যথাক্রমে ২ হাজার ও ২ হাজার ৮৮০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের লক্ষ্য তাদের। পূর্ণ উদ্যমে এগিয়ে চলছে উভয় প্রকল্পের কাজ। যমুনার পানিতে চীন-ভারতের এরূপ প্রতিযোগিতামূলক ড্যাম ও জলবিদ্যুৎকেন্দ্র তৈরিতে বাংলাদেশ দর্শকমাত্র।
ব্রহ্মপুত্রে ভারত ও চীনের পক্ষে যান্ত্রিক অত্যাচার চালানো সহজ হয়েছে, কারণ এর প্রবাহের হিস্যা নিয়ে ভারত ও চীনের মধ্যে যেমন কোনো চুক্তি নেই, তেমনি চীন-ভারত-বাংলাদেশ মিলিয়েও কোনো সমঝোতা নেই। অন্যদিকে, ভারত-চীন যেহেতু বর্তমানে সীমান্তসহ বহু বিবাদে লিপ্ত, সে কারণে পানি নিয়ে সহজে তাদের মাঝে কোনো চুক্তিতে উপনীত হওয়ার পরিবেশও নেই আপাতত। অন্যদিকে, ব্রহ্মপুত্রের প্রবাহসম্পর্কিত তথ্যবিনিময় চুক্তিটির মেয়াদও শেষ হবে আগামী বছর। এরপর একই বিষয়ে চীন-ভারত চুক্তি হবে কি না, সেটাও অনিশ্চিত। অথচ ব্রহ্মপুত্রের পানিতে চীনের নিয়ন্ত্রণের ধরনের ওপর নির্ভর করছে ভারতের উত্তর-পূর্ব রাজ্যগুলোর বিপুল মানুষের জীবন-জীবিকা। আর চীনের পাশাপাশি ভারতীয় জলবিদ্যুৎ প্রকল্পগুলোর নেতিবাচক পরিণতির দায়ও অনেকখানি বইতে হবে বাংলাদেশকে। যদিও বাংলাদেশের জনজীবনে ব্রহ্মপুত্র নিয়ে উদ্বেগের চিহ্ন দেখা যায় না, কিন্তু ভারতের বিশেষজ্ঞরা এই ভেবে উদ্বিগ্ন যে চীনে যেভাবে পানির চাহিদা এবং পানিবাহিত বিদ্যুতের চাহিদা বাড়ছে, যেভাবে তারা বিভিন্ন নদীপ্রবাহে ড্যাম তৈরি করছে, তাতে দেশটির রাজনৈতিক নেতৃত্ব চাইলেও ভবিষ্যতে ব্রহ্মপুত্রের পানিকে ভারত ও বাংলাদেশের জন্য আদৌ নির্বিঘ্নে বইতে দিতে পারবে কি না, তাতে সন্দেহ আছে। আর এ রকম অবস্থায় ভারতের উত্তর-পূর্ব রাজ্যগুলোতে কৃষির সংকট এবং বন্যাজনিত সংকট অনিবার্য। একই রূপ ক্ষতির শিকার হতে হবে বাংলাদেশকেও।
ব্রহ্মপুত্রে চীনের একাধিপত্য বাংলাদেশের জন্য ভিন্ন কারণেও উদ্বেগজনক। একে অজুহাত হিসেবে দেখিয়ে এবং অভ্যন্তরীণ চাহিদার দোহাই দিয়ে ভারত হয়তো ভবিষ্যতে আরও বেশি পানি প্রত্যাহার করে নেবে আঞ্চলিক অন্যান্য নদী থেকে। এ কারণে ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের পানিকেন্দ্রিক চাওয়া-পাওয়ার ব্যবধান এখনকার চেয়ে আরও বাড়বে। বাংলাদেশের সঙ্গে সৃষ্ট এই দূরত্ব ব্রহ্মপুত্র নিয়ে চীনের সঙ্গে দর-কষাকষিতে ভারতেরও এক বড় দুর্বলতা। আলোচনার টেবিলে ভাটির দেশ হিসেবে ভারত যে যুক্তিগুলো চীনের কাছে তুলে ধরে, ঠিক সেই যুক্তিগুলোই সে অবজ্ঞা করে বাংলাদেশের সঙ্গে গঙ্গা ও তিস্তার প্রবাহ বণ্টনের আলোচনায়। চীন স্বাভাবিকভাবেই তখন বাংলাদেশকে উদাহরণ হিসেবে টেনে আনে।
ব্রহ্মপুত্রের দীর্ঘ অববাহিকাজুড়ে এরূপ ত্রিমুখী টানাপোড়েনের একমাত্র সমাধান জাতীয়তাবাদী সংকীর্ণতা এড়িয়ে দক্ষিণ এশিয়ার সব দেশের মধ্যে পানিসম্পদের ন্যায্য হিস্যা নিয়ে ব্যাপকভিত্তিক আলোচনা এবং মানুষ ও নদীর স্বার্থকে বিবেচনায় নিয়ে এমন একটি সমাধান খোঁজা, যাতে সব দেশের অন্তত ন্যূনতম পাওয়া নিশ্চিত হয়; আর নদীটিও যেন বাঁচে।
আলতাফ পারভেজ: দক্ষিণ এশিয়ার ইতিহাস বিষয়ে গবেষক




বিচিত্র সংবাদ



























সম্পাদক মণ্ডলীর সভাপতিঃ এনামুল হক শাহিন
প্রধান সম্পাদকঃ সিমা ঘোষ
সম্পাদকঃ নরেশ চন্দ্র ঘোষ

ঠিকানাঃ
২৩/৩ (৪ তালা), তোপখানা রোড, ঢাকা-১০০০
ফোনঃ ০২৯৫৬৭২৪৫, ০১৯৭৭৭৬৮৮১১
বার্তা কক্ষঃ ফাক্সঃ ০২৯৫৬৭২৪৫, ০১৬৭৬২০১০৩০
অফিসঃ ০১৭৯৮৭৫৩৭৪৪,
Email: editoropennews@gmail.com



ভারপ্রাপ্ত সম্পাদকঃ নুরে খোদা মঞ্জু
ব্যাবস্থাপনা সম্পাদকঃ গাউসুল আজম বিপু
বার্তা সম্পাদকঃ জসীম মেহেদী
আইটি সম্পাদকঃ সাইয়িদুজ্জামান